jagannathpurtoday-latest news

,

সংবাদ শিরোনাম :
«» জাহিদ হাসানের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ «» শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবসে সিলেটে যুবলীগের মিলাদ ও দোয়া «» দোয়ারাবাজারে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বেহাল দশায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ «» ওসমানীনগরে মা ও শিশু ক্লিনিকের বিরুদ্ধে মামলা «» সাবেক ছাত্রনেতা সেলিম আহমদের পক্ষে দক্ষিণ সুরমায় গণসংযোগ «» সিলেট-৩ আসনে দলীয় মনোনয়ন ফরম জমা দিলেন সাবেক যুবলীগনেতা জাহিদ হাসান «» সিলেটের জাকির আহমদ জুনেদ সংক্ষিপ্ত সফরে সাগরের পাড়ে «» সিলেট-৩ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হচ্ছেন শফি চৌধুরী «» কমলগঞ্জের ইসলামপুরে নৌকার কান্ডারী হতে চান আমির আলী «» জগন্নাথপুরে সালিশী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগে এলাকায় প্রতিবাদের ঝড়


সিলেট স্বাধীনতা ফোরামের উদ্যোগে ২৫ শে মার্চ জাতীয় গণ হত্যা দিবস স্মরণে র‌্যালি ও আলোচনা সভা

স্বাধীনতার ৫০ বছর পুর্তি উপলক্ষে ২৫শে মার্চ জাতীয় গণ হত্যা দিবস স্মরণে র‌্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করে স্বাধীনতা ফোরাম সিলেট। সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বর থেকে র‌্যালি বের হয়ে নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে কোর্ট পয়েন্টে এসে আলোচনা সভায় মিলিত হয়। স্বাধীনতা ফোরাম সিলেট এর সভাপতি প্রিন্সিপাল মাওলানা মাহমুদুল হাসানের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারী শিব্বির আলম খানের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, পুর্ব পরিকল্পনা মতোই ২৫শে মার্চে রাতে পাকিস্তানী আর্মি গন অপারেশন সার্চলাইট আরম্ভ করে যার উদ্দেশ্য ছিল বাঙ্গালি প্রতিরোধ গুঁড়িয়ে দেয়া। হত্যাকাণ্ডের খবর যাতে পৃথিবীর অন্যান্য দেশে না পৌঁছায সে লক্ষ্যে ২৫শে মার্চের আগেই বিদেশী সাংবাদিককে ঢাকা পরিত্যাগে বাধ্য করা হয়। তারপরও সাংবাদিক সাইমন ড্রিং জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ঢাকায অবস্থান করে ওযাশিংটন পোস্টের মাধ্যমে সারা পৃথিবীকে এই গণহত্যার খবর জানিয়ে ছিলেন। উল্লেখ্য ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ রাতের অন্ধকারে পাকিস্তানী সামরিক বাহিনী পূর্ব পাকিস্তানে বাঙালি নিধনে ঝাঁপিয়ে পডলে একটি জনযুদ্ধের আদলে মুক্তিযুদ্ধ তথা স্বাধীনতা যুদ্ধের সূচনা ঘটে। এই প্রতিরোধ যুদ্ধই সূচনা করে মহান মুক্তিযুদ্ধের। ২৫ মার্চ রাতেই পুলিশ, ইপিআর ও সেনাবাহিনীর বাঙালি সদস্যরা শুরু করে প্রতিরোধ যুদ্ধ, সঙ্গে যোগ দেয় সাধারণ মানুষ। তৎকালীন পাকিস্তানী সামরিক বাহিনীর ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট, ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলস (ইপিআর), ইস্ট পাকিস্তান পুলিশ, সামরিক বাহিনীর বাঙ্গালী সদস্য এবং সর্বোপরি বাংলাদেশের স্বাধীনতাকামী সাধারণ মানুষ দেশকে পাকিস্তানী সামরিক বাহিনীর কব্জা থেকে মুক্ত করতে কয়েক মাসের মধ্যে গড়ে তোলে মুক্তিবাহিনী। গেরিলা পদ্ধতিতে যুদ্ধ চালিয়ে মুক্তিবাহিনী সারাদেশে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীকে ব্যতিব্যস্ত করে তোলে।

 

বক্তাগন বলেন, বন্ধু প্রতিম রাষ্ট্র ভারতের সার্বিক সহযোগিতায় বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ সফলতার শীর্ষে পৌঁছে, বক্তাগন পাকিস্তানের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক ফোরামে নিন্দা জানিয়ে বলেন এক সাগর রক্তের বিনিময়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুর্য ছিনিয়ে আনা হয়েছে তাই দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য প্রতিটি নাগরিক এক এক জন সৈনিকের ভূমিকা পালন করতে প্রস্তুত। তারা ৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধে পাকিস্তানিদের নির্মমতার ইতিহাস উল্লেখ করে বলেন আন্তর্জাতিক ভাবে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে হবে। বক্তাগন ২৫ শে মার্চ গণ হত্যায় নিহতদের আত্মার শান্তি কামনা করেন। বক্তাগন পাকিস্তানিদের বিশ্বের অন্যতম বর্বরতম জাতি উল্লেখ করে তাদের ব্যাপারে সর্বদা সোচ্চার থাকার আহ্বান জানান, নেতৃবৃন্দ বলেন এখনো জালিম গোষ্ঠীর অপতৎপরতা থামেনি,৭১ সালের এই গণ হত্যার জন্য পাকিস্তান কে রাষ্ট্রীয় ভাবে বাংলাদেশের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করতে হবে, বক্তাগণ এই গণ হত্যার তীব্র নিন্দা ও ধিক্কার জানিয়ে বলেন ৩০ লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতা অক্ষুন্ন রাখতে ১৮ কোটি জনতা প্রহরীর ন্যায় ভূমিকা পালন করবে। সভায় বক্তব্য রাখেন, প্রফেসর আব্দুল্যাহ আল হেলাল, প্রভাষক আফসারুল আমীন, মাওলানা আব্দুল মালেক চৌধুরী, মাওলানা আমীনুল ইসলাম, মাওলানা রুহুল আমিন, শাহ কামরুজ্জামান, হাফিজ জামিল আহমেদ প্রমুখ। বিজ্ঞপ্তি