jagannathpurtoday-latest news

,

সংবাদ শিরোনাম :


দোয়ারাবাজারে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বেহাল দশায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক :: সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের বিভিন্ন স্কুল-মাদ্রাসা করোনাজনিত কারণে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার সুবাদে বেহাল দশায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ বিরাজ করছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এসব দেখেও না দেখার ভান করছেন। বৃহস্পতিবার সরেজমিন পরিদর্শনকালে দেখা যায়, উপজেলার বড়ইউরি দারুচ্ছুন্নাহ বহুমুখি আলিম মাদ্রাসার নতুন ভবনের আঙিনা ও মাঠজুড়ে বালি, সিঙ্গেল, ইট, পাথর এবং পুরাতন ভবনের শ্রেণিকক্ষের বারান্দাজুড়ে কাঠের ফাইলের স্তুপ। জানতে চাইলে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা সৈয়দ হোসেন বলেন, এগুলো মাদ্রাসার নতুন ভবন ও স্থানীয় মসজিদের নির্মাণ সামগ্রী। নির্মাণ শ্রমিকরা ছুটি থেকে আসার পর এসব অন্যত্র সরিয়ে নেয়া হবে বলে ঠিকাদার তাকে জানিয়েছেন। বীরেন্দ্র নগর ইন্তাজ আলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্মাণাধীন থাকায় পাঠদান অব্যাহত রাখতে টিনশেডের নির্মিত কক্ষগুলোতে নির্মাণ সামগ্রী মওজুদ, নির্মাণ শ্রমিকদের আবাসস্থল ছাড়াও বিদ্যালয় মাঠে বালির স্তুপ দেখা গেছে। নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রীর দরূন ইতিপূর্বে নির্মাণাধীন ওই ভবনের ছাদের সাটারিং খোলামাত্রই ছাদের বিভিন্ন স্থানে ফাঁটল দিয়ে বৃষ্টির পানি চুপসে পড়ার অভিযোগ উঠেছে। এজন্য নির্মাণকাজ কিছুদিন বন্ধও ছিল।

 

বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হাফিজুল ইসলাম জুয়েল বলেন, বিদ্যালয়ের কাজ এখনও শেষ হয়নি। ছাদের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অবগত আছেন। ত্রুটিপূর্ণ কাজ সম্পন্ন করতে কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্ট সকলেই তৎপর রয়েছেন।

 

পালকাপন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে গরুছাগল চরানো ছাড়াও গ্রামের বেকার যুবকরা খেলার মাঠ হিসাবে এটি ব্যবহৃত হওয়াতে কাদাজলে ভরপুর। এছাড়া বিদ্যালয়ের বিভিন্ন শ্রেণিকক্ষের দরজা, জানালা, দেয়াল ও লেট্রিনে শেওলা লেগে থাকায় ভ’তুঁড়ে পরিবেশ মনে হচ্ছে।

 

জানতে চাইলে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা শেফালি আক্তার বলেন, করোনাজনিত বন্ধের কারণে উপস্থিতির হার কম থাকার সুবাদে এবং বিকালের দিকে গ্রামের বেকার যুবকেরা খেলাধূলাসহ নির্বিঘেন্ন বিচরণ করায় এহেন পরিস্থিতি দাঁড়িয়েছে।

 

এসব বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতিকে অবহিত করা হয়েছে। তিনি এব্যাপারে সভা ডাকবেন বলে তাকে জানিয়েছেন। বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির মুঠোফোন বন্ধ থাকায় যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।