jagannathpurtoday-latest news

,

সংবাদ শিরোনাম :

সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ: জকিগঞ্জে কেন্দ্রে গিয়ে সিল মারা ব্যালট বাক্সে ভরেন নির্বাচন কর্মকর্তা

ডেস্ক রিপোর্ট :: সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলার নয়টি ইউনিয়নের পঞ্চম ধাপে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী ফলাফল বাতিল করে পুনরায় তফসিল ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন পরাজিত চেয়ারম্যান ও মেম্বার প্রার্থীরা। তারা অভিযোগ করেন, ৫ জানুয়ারি ভোট গ্রহণের দিন নির্বাচন কর্মকর্তা সাদমান সাকিব কেন্দ্রে কেন্দ্রে গিয়ে সিল মারা ব্যালট বাক্সে ভরেন। বৃহস্পতিবার (১৩ জানুয়ারি) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির নসরুল হামিদ মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে তারা এ অভিযোগ করেন। এ সময় পরাজিত সাত চেয়ারম্যান ও ২৯ মেম্বার প্রার্থী উপস্থিত ছিলেন। তারা দ্রুত জকিগঞ্জের ওই নয়টি ইউনিয়নের ভোটের ফলাফল বাতিল করে পুনরায় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করতে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। সংবাদ সম্মেলনে পরাজিত প্রার্থীদের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ৯ নম্বর মানিকপুর ইউনিয়ন পরিষদের লাঙ্গল প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. মাহতাব হোসেন চৌধুরী। এরপর একে একে অভিযোগ তুলে ধরেন পরাজিত চেয়ারম্যান প্রার্থী ৫ নম্বর জকিগঞ্জ সদর ইউনিয়নের হাসান আহমদ, ৭ নম্বর বারঠাকুরী ইউনিয়নের মো. নাছির উদ্দিন নাসির, ৮ নম্বর কশকনকপুর ইউনিয়নের মো. আবদুর রাজ্জাক রিয়াজ, ১ নম্বর বারহাল ইউনিয়নের বুরহান উদ্দিন রনি ও ৬ নম্বর সুলতানপুর ইউনিয়নের মো. জালাল উদ্দিন। তাদের অভিযোগ- আর্থিক চুক্তিতে জকিগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা সাদমান সাকিবের যোগসাজশে রিটার্নিং ও প্রিসাইডিং অফিসারদের নিয়ে গঠিত সিন্ডিকেট নির্দিষ্ট প্রার্থীদের পক্ষে সিল মারা ব্যালট পেপার ভোটের বাক্সে ঢুকিয়ে দিয়েছেন। প্রিসাইডিং কর্মকর্তারা দরজা বন্ধ করে ব্যালটে সিল মেরেছেন এবং দুপুরের খাবারের বিরিয়ানির প্যাকেটের ভিতর কৌশলে কেন্দ্রে ঢোকানো হয়েছে বেশকিছু সিল মারা ব্যালট পেপার। শুধু তাই নয়, ভোট গ্রহণের দিন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এক রিটার্নিং কর্মকর্তাকে নিয়ে গাড়িযোগে সকাল থেকে কেন্দ্রে কেন্দ্রে গিয়ে সিল মারা ব্যালট বাক্সে ঢোকান এবং খালি ব্যালট পেপার অনুগত প্রিসাইডিং অফিসারকে সরবরাহ করে আসেন প্রয়োজনে সিল মেরে বাক্সে ভরার জন্য। ৫ জানুয়ারি ভোট গ্রহণের দিন নির্বাচন কর্মকর্তা সাদমান সাকিব ও রিটার্নিং কর্মকর্তা আরিফুল হককে সিল মারা ও খালি ব্যালট পেপার, নগদ টাকাসহ গ্রেফতার করা হয়।